• chanakyabangla

আপনি কি সিনেমার নাম আল্লাহ বোম রাখতে পারবেন? সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্ন মুকেশ খান্নার


আপনি কি সিনেমার নাম আল্লাহ বোম রাখতে পারবেন? সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্ন মুকেশ খান্নার।

চানক্য বাংলা ওয়েব ডেস্ক: বলিউড সুপারস্টার সুসানত সিং রাজপুত এর মৃত্যুর ঘটনার পর বলিউডে যেন একের পর এক ঘটনায় জড়িয়ে পড়ছে। যৌন হেনস্থা থেকে শুরু করে মাদকচক্র নাম জড়িয়েছে নামিদামি বলিউডের সুপারস্টার দের। কয়েকদিন আগেই সুসানত সিং রাজপুত মিথ্যা মামলায় জামিন পেয়েছেন মূল অভিযুক্ত রিহা চক্রবর্তী,

এর রেশকাটতে না কাটতেই, এবার বিতর্কে নাম জোরালো অক্ষয় কুমারের, শক্তিমান খেত মুকেশ খান্না সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন এবং প্রশ্ন তুলেছেন, আপনি কি 'আল্লাহ বোম' বা 'বদমাশ যীশু'কোন সিনেমার নাম রাখতে পারবেন, তাহলে অক্ষয় কুমার অভিনীত নতুন সিনেমার নাম' লক্ষী বোম' রাখা হল কেন?

তবে হিন্দু দেব-দেবীদের নিয়ে বলিউডের নামকরণ নতুন কিছু নয়, গত কয়েক বছর আগে সালমান খান অভিনীত 'বজরঙ্গি ভাইজান'সিনেমার নামকরণ নিয়ে উত্তাল হয়েছিল সারাদেশ, পথে নেমেছিল বিভিন্ন হিন্দুত্ববাদী সংগঠন, কাজের কাজ কিছু হয়নি। বলিউড রয়েছে বলিউডের মতই।

বলিউডের সুপারস্টার সালমান খান বলেছিলেন, শিল্পীদের কোনো জাত ধর্ম হয় না এবং দেশ হয়না, একজন শিল্পী শুধু শিল্পী, তবে উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হলো যখন কাশ্মীরের সেনা মারা যায় বলিউড চুপ থাকে। এবং পাকিস্তানি নায়ক নায়িকারা যারা বলিউডের সঙ্গে যুক্ত তারা, পাকিস্তানে যখন বোম ব্লাস্ট হয় তখন সমালোচনা করে এবং ভারতবর্ষে কোন জঙ্গি আক্রমণ হলে তারা চুপ থাকে, এবং তারা প্রকাশ্যে পাকিস্তানি সিনেমার পুরস্কার নিতে গিয়ে বলে, কাশ্মীর পাকিস্তানের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ এবং কাশ্মীরে ভারতবর্ষ কাশ্মীরে লোকেদের উপর অত্যাচার করছে। তাহলে সত্যিই কি শিল্পীদের কোনো জাত ধর্ম দেশ হয় না?

বলিউড যখন কাশ্মীরে বন্যা হয় তখন চাঁদা কালেকশন করে। কিন্তু উত্তরাখন্ডের বন্যায় চুপ থাকে। বলিউড যেখানে ভারতবর্ষর প্রতিনিধিত্ব করে বিশ্বব্যাপী, তখন তার এরকম দুমুখো নীতিকে কেন? আর বলিউড বিশ্বজোড়া খ্যাতি পেয়েছে তা ভারতবর্ষের সভ্যতা-সংস্কৃতির জন্য। অথচ এই বলিউডে সবথেকে বেশি ভারতীয় সভ্যতা ও সংস্কৃতি, ভারতীয় দেবদেবী অপমান করেছে,

আজ পর্যন্ত কোন বলিউডের অভিনেতা কে অভিনেত্রীকে দেখা যায়নি, কারগিলের শহীদ বেদীতে পুষ্প অর্পণ করতে, অথচ এই সালমানখানে বলেছিল'পাকিস্তান নিজেই আতঙ্কবাদে শিকার। তবে কি সালমান খান কাসাব কে ভুলে গেছে, যে পাকিস্তান থেকে এসে মুম্বাই অ্যাটাক করেছিল। বলিউড স্টার দের, মনীষা কৈরালার থেকে শিক্ষা নেওয়া দরকার, কিছুদিন আগে যখন ভারত নেপাল সম্পর্কে চিড় ধরেছিল। তখন মনীষা কৈরালা বলিউডের স্টার হয়েও নিজের দেশ নেপালকে সাপোর্ট করেছিল। অথচ আমাদের দেশের বলিউড স্টাররা, দেশ পাকিস্তানি সন্ত্রাসবাদি দাঁড়া আক্রান্ত হলে চুপ থাকে। যাতে পাকিস্তানি ফ্যানেরা আঘাত না পায় তাদের কথায়। এবং তাদের ব্যবসা ঠিকঠাক থাকে পাকিস্তানে, এই বলিউড স্টার দের কাছে, দেশের থেকে ব্যবসা বড়।

তবে বদলাচ্ছে আমাদের ভারতবর্ষের যুবসমাজ, আর বেশিদিন নেই যখন ভারত বর্ষ যুবসমাজ আওয়াজ তুলবে এই দুমুখো নীতির বিরুদ্ধে। সেদিন এই বলিউডের তথাকথিত স্টার গুলো ক্ষমা চেয়েও ক্ষমা পাবে না। কারন এখনকার যুবসমাজ মানবতাবাদি এবং দেশপ্রেমি।