• chanakyabangla

আলু চল্লিশ চুল্লু বিশ’, নিশ্চুপ প্রশাসন ও ফড়েদের কলকাঠিতে রাজ্যে আলুও চল্লিশ টাকা কিলো



‘আলু চল্লিশ চুল্লু বিশ’, নিশ্চুপ প্রশাসন ও ফড়েদের কলকাঠিতে রাজ্যে আলুও চল্লিশ টাকা কিলো

চানক্য বাংলা ওয়েব ডেস্ক:

‘আলু চল্লিশ চুল্লু বিশ’; গল্প হলেও সত্যি। ২০ টাকার পাউচ প্যাকেটে, সস্তায় দেশি মদ বিক্রি করবে; মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের আবগারি দফতর। অন্যদিকে, এবার বেশি ফলন হওয়া আলুর দাম; বাংলার বাজারে ৪০ টাকা কিলো ছুঁয়েছে। নিশ্চুপ প্রশাসন ও ফড়েদের কলকাঠিতে; রাজ্যে আলুও চল্লিশ টাকা কিলো! সোশ্যাল মিডিয়ায় বলছেন; বাংলার সাধারণ মানুষ। কালী পুজো ভাইফোঁটায়, আলুর দাম; ৫০-৬০ টাকা প্রতি কিলো হবার আশঙ্কা। কিন্তু বাড়তি ফলন হবার পরেও; রাজ্যে আলুর দাম ৪০ টাকা কিলো কেন? এই প্রশ্নের সঠিক জবাব; প্রশাসন, আলু ব্যবসায়ী কারোর কাছেই ঠিকমত নেই। তবে সাধারণ মানুষ বলছেন; “রাজনৈতিক নেতারা যারা আলুর ব্যবসায়ী হয়ে বসেছেন; তাঁদের জন্যই আলুর দামের এই হাল”।


এই সময়ে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি দেখা যায়। কিন্তু, এবার আলুর দামের দৌড়; যেন থামছেই না! পাইকারি থেকে খুচরো বাজার। আলুর দরে অস্বাভাবিক বৃদ্ধি। সাধারণ মানুষের ধরাছোঁয়ার বাইরে চন্দ্রমুখী। জ্যোতির দরও অনেক জায়গাতেই; চল্লিশ ছুঁয়েছে। এদিকে, আমজনতার চাপ আরও বাড়িয়ে আলু ব্যবসায়ীরা পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন; “ডিসেম্বর পর্যন্ত আলুর দাম কমার; কোনও লক্ষণই নেই। বরং তৈরি থাকুন, কালীপুজোয় ৫০ টাকা কিলো দরে আলু কিনতে হবে”। নতুন আলু ওঠার আগে, দাম কমবে না; বাজার লিখন স্পষ্ট। ফলন বেশি হলেও; কেন দাম বাড়ছে আলুর?


কিন্তু কেন এভাবে মহার্ঘ হয়ে উঠছে আলু? ব্যবসায়ীদের একটা বড় অংশের অভিযোগ; হিমঘরকে ঘিরে কিছু অসাধু চক্রের; বেআইনি কার্যকলাপই এর জন্য দায়ী। তার জেরে পর্যাপ্ত পরিমাণ আলু; বাজারে ঢুকছে না। কোল্ড স্টোরে পর্যাপ্ত আলু জমা আছে; তবু সেটা বাজারে বের করা হচ্ছে না। বিস্তর ফারাক থেকে যাচ্ছে; চাহিদা ও জোগানের। তাই আলুর দাম প্রতিদিন বাড়ছে। আলু ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, অবিলম্বে এই অসাধু চক্রগুলিকে; ঠেকাতে মাঠে নামতে হবে এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ (ইবি)-কে। তারাই একমাত্র পারে, নজরদারি চালিয়ে; বাজারদরকে নিয়ন্ত্রণ করতে। তা না হলে আপামর গৃহস্থকে, পেঁয়াজের তীব্র ঝাঁজের সঙ্গে বেগ দেবে আলুও দামও।


পশ্চিমবঙ্গ ফোরাম অব ট্রেডার্স অর্গানাইজেশনের, সাধারণ সম্পাদক রবীন্দ্রনাথ কোলে বলেন; “এখনও হিমঘরে প্রায় ২৫ শতাংশ আলু; মজুত রয়েছে। সুতরাং, আলুর জোগানে খুব একটা সমস্যা থাকার কথা নয়”। তাহলে সমস্যা কোথায়? তাঁর মতে, “এই দাম বৃদ্ধি সম্পূর্ণ কৃত্রিম”। তাহলে রাজ্য প্রশাসন কি করছে? এটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।