• chanakyabangla

কন্যাশ্রীর পর রাষ্ট্রপুঞ্জের সেরার সেরা পুরস্কার জিতে নিল সবুজ সাথী।


কন্যাশ্রীর পর রাষ্ট্রপুঞ্জের সেরার সেরা পুরস্কার জিতে নিল সবুজ সাথী।

চাণক্য বাংলা ওয়েব ডেস্ক:

রাষ্ট্রপুঞ্জের ওয়ার্ল্ড সামিট অন দ্য ইনফর্মেশন সোসাইটি (‌ডব্লুএসআইএস)‌ থেকে সবুজ সাথীকে সেরার শিরোপা দেওয়া হল। করোনার জন্য কোনও অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যায়নি। তাই অনলাইনে রাজ্যকে এই সম্মান তুলে দেওয়া হল। অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দপ্তরের ওএসডি সঞ্জয় থাডে  পুরস্কার গ্রহণ করেন। ২০১৭–য় রাষ্ট্রপুঞ্জ থেকে কন্যাশ্রীকে সেরার শিরোপা দেওয়া হয়েছিল। সে সময় নেদারল্যান্ডসে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বিশ্বসেরার পুরস্কার নিয়ে এসেছিলেন।

স্কুলছুট বন্ধ, লিঙ্গবৈষম্য দূর করতে এই সবুজ সাথী প্রকল্প শুরু করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। পড়ুয়ারা যাতে আরও সহজে, পরিবেশবান্ধব উপায়ে স্কুলে যেতে পারে, সেটাও লক্ষ্য ছিল। এখনও পর্যন্ত প্রায় ১ কোটি পড়ুয়াকে সাইকেল পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ২০১৫ সাল থেকে শুরু হয়েছে সবুজ সাথী প্রকল্প। জেলায় জেলায় প্রশাসনিক বৈঠকে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পড়ুয়াদের সাইকেল দিয়েছেন। কন্যাশ্রী প্রকল্পে উপকার পেয়েছে অজস্র ছাত্রী। স্কুলছুট তো কমেছেই, সেই সঙ্গে নাবালিকা বিয়েও বন্ধ হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সামাজিক একটা বড়সড় বদল এনেছে ওই প্রকল্প।

সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী তাঁর স্বপ্নের সবুজ সাথী প্রকল্প নিয়ে সাংবাদিকদের জানান, করোনা অতিমারীর জন্য কিছু জায়গায় সাইকেল দেওয়া বাকি রয়েছে। অবিলম্বে তা দিয়ে দেওয়া হবে। পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হলে তিনি জেলা সফর শুরু করবেন। তখন সাইকেল দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ ছিল, অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দপ্তর অতি দ্রুত ওই সাইকেল প্রাপকদের বাড়ি পৌঁছে দেবে। স্কুল বন্ধ রয়েছে বলে সাইকেল দেওয়া যাবে না, এটা আর করা যাবে না। স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে, ছাত্রছাত্রীদের বাড়ির ঠিকানা জোগাড় করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে সেগুলি পৌঁছে দিতে হবে। অন্যদিকে, যাঁরা রাজ্যে সাইকেল কারখানা গড়বেন, সবুজ সাথী প্রকল্পের জন্য তাঁদের থেকেই সাইকেল কেনা হবে। রাজ্যে বিনিয়োগে আরও উৎসাহ দিতে শিল্পোদ্যোগীদের কাছে এই বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ‌প্রতি বছর ছাত্রছাত্রীদের জন্য ১০ লক্ষ সাইকেল কেনা হয়। তিনি জানিয়েছিলেন, বিভিন্ন সংস্থার থেকে সাইকেল নেওয়া হয়। বেশির ভাগ সংস্থাই ভিন রাজ্য থেকে পার্টস নিয়ে এসে অ্যাসেম্বেল করে। এখানে যদি অ্যাসেম্বল করা যায়, তা হলে সাইকেল কারখানাই বা কেন করা যাবে না?‌ তিনি চান রাজ্যে সাইকেল কারখানা হোক। তাতে যেমন কর্মসংস্থান হবে, তেমন সাইকেলের গুণমান বজায় থাকবে, দামও কম পড়বে।