• chanakyabangla

কৃষি বিলে উত্তপ্ত কেন্দ্রীয় রাজনীতি, ভুল খবর ছড়ানোর দাবি মোদির


কৃষি বিলে উত্তপ্ত কেন্দ্রীয় রাজনীতি, ভুল খবর ছড়ানোর দাবি মোদির

চাণক্য নিউজ বাংলা ডেস্ক : ‌কৃষি বিল নিয়ে শুক্রবারও টালমাটাল কেন্দ্রীয় রাজনীতি। ভুয়ো খবর ছড়ানোর সব চেয়ে বেশি অভিযোগ সারা দেশে রয়েছে যে বিজেপির বিরুদ্ধে, এবার নিজেদের কাটা খালে কি নিজেরাই পড়ল তারা?‌ শুক্রবার বিহারে কোশি রেল সেতুর ভার্চুয়াল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দাবি করেন, কৃষকরা ফসলের ঠিক দাম পাবেন না বলে কৃষি বিলের ব্যাপারে ভুল খবর ছড়ানো হচ্ছে। 

মোদির দাবি, ‘‌মানুষরা ভুলে যাচ্ছে আমাদের দেশের কৃষকরা কতটা সচেতন। ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে যে গম এবং চালের মতো শস্য সরকারি সংগঠনগুলি কৃষকদের থেকে আর নেবে না। এটা সর্বৈব মিথ্যা এবং কৃষকদের ভুল বোঝানোর চেষ্টা।’‌

তিনটি কৃষি বিলই লোকসভায় পাস হয়ে গিয়েছে। যার পরই তেতে উঠেছে কেন্দ্রীয় রাজনীতি। বৃহস্পতিবার ওই বিলের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন বিজেপির দীর্ঘদিনের জোটশরিক অকালি


দলের সাংসদ হরসিমরৎ কৌর বাদল। মহামারীতে এমনিতেই অর্থনৈতিক সঙ্কটে ধুঁকতে থাকা দেশে পরিস্থিতি যে তাদের বিপক্ষে যেতে শুরু করেছে তা আন্দাজ করতে পারছে বিজেপি। তাই এদিন কেন্দ্রের কৃষক–দরদী ছবি তুলে ধরতে, নাম না করে কংগ্রেসকে কটাক্ষ করে মোদি কৃষকদের প্রতি আবেদন করে বলেন, ‘‌আমি সারা দেশের কৃষকদের আবেদন করছি কৃষি ক্ষেত্র নিয়ে যারা এরকম ভুয়ো খবর ছড়াচ্ছে তাদের থেকে সচেতন হন। আবারও বলছি— এরা আপনাদের ভুল পথে চালিত করতে চাইছে। এরা চাইছে পুরনো ব্যবস্থা জিইয়ে রেখে আপনাদের দারিদ্রের মধ্যেই রেখে দিতে। এরা যারা কয়েক দশক ধরে ক্ষমতায় ছিল এবং কৃষকদের নিয়ে এতো কথা বলেছিল, তারা কৃষক এবং কৃষি ক্ষেত্রের জন্য কিছুই করেনি। সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ কৃষকদের সাহায্য করতে যাতে নূন্যতম সহায়ক মূল্যের মাধ্যমে ন্যায্য মূল্য পান কৃষকরা।’‌

এদিকে এদিন সকালে হরসিমরৎ বলেন, ‘‌আমি বহুবার ওদের বোঝাতে চেষ্টা


করেছিলাম যে আগে কৃষকদের বোঝাতে হবে যে এই বিলটা তাঁদের সুবিধার্থেই। কিন্তু কৃষকরা ভয় পাচ্ছেন, তাঁদের ভবিষ্যত নষ্ট হবে এবং ধনীদের হাতেই নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা চলে যাবে। আমি সরকারকে বলেছিলাম শেয়ারহোল্ডারের সঙ্গে আলোচনা করে তবেই বিল আনা উচিত, এতে রাজনীতিটা কোথায়?‌ কৃষকরা তো শুধু পাঞ্জাবে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন না, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, রাজস্থান, মহারাষ্ট্র, দক্ষিণ ভারতেও বিক্ষোভ হচ্ছে।’‌

অন্যদিকে, শুক্রবার সকালে পাঞ্জাবের কিষাণ মজদুর সংঘর্ষ কমিটির সাধারণ সম্পাদক সারওয়ান সিং পান্ধের হরসিমরতকে কটাক্ষ করে বলেন, ‘‌হরসিমরত কৌর বাদলজির ইস্তফা অনেক দেরিতে এলো। এটা মানুষদের ক্ষোভকে শান্ত করার চেষ্টা। আজও যদি সুখবীর বাদলজি উপলব্ধি করতে পারেন, তাহলে উনি ওনার কর্মী, সমর্থকদের নিয়ে সংসদ ঘেরাও করতে পারতেন।’‌ তিনটি বিলের প্রতিবাদে আগামী ২৪–২৬ তারিখ রেল রোকোর ডাক দিয়েছে কমিটি।      ‌