• chanakyabangla

চলতি বছরে আমেরিকায় এবং আগামী বছরের গোড়ায় ভারতে করোনা ভ্যাক্সিন মিলবে!


চলতি বছরে আমেরিকায় এবং আগামী বছরের গোড়ায় ভারতে করোনা ভ্যাক্সিন মিলবে!

চানক্য বাংলা ওয়েব ডেস্ক:

প্রথম দফায় ৩০ কোটি দেশবাসীকে টিকা দেওয়া হবে


২০২১-এর শুরুতেই করোনা ভ্যাক্সিন দেশের বাজারে চলে আসবে বলে আগেই দাবি জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন। এবার তাঁর সেই দাবি আরও জোরালো হল। নভেম্বর থেকে মার্চের মধ্যে করোনার অন্তত দু’টি টিকা বাজারে আসার ইঙ্গিত মিলল। তার মধ্যে একটি ভারতে। অন্যটি আমেরিকায়। আর প্রথম দফায় ৩০ কোটি দেশবাসী ভ্যাক্সিন পাবে বলে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক সূত্রে খবর। ইতিমধ্যে সেই তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।

জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় ড্রাগ কন্ট্রোলের সবুজ সঙ্কেত পেলে আগামী মার্চেই দেশে করোনা টিকা এসে যাবে বলে দাবি জানিয়েছে অক্সফোর্ডের করোনা ভ্যাক্সিন প্রস্তুতকারক ভারতীয় সংস্থা সিরাম ইনস্টিটিউট। এছাড়া রাশিয়ার বানানো টিকা ‘স্পুটনিক ৫’-এর যে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ভারতে স্থগিত রাখা হয়েছিল, কেন্দ্রীয় ড্রাগ কন্ট্রোলের বিশেষজ্ঞদের একটি প্যানেল সেই ট্রায়াল ফের শুরুর অনুমতি দিয়েছে।

অন্যদিকে, মার্কিন ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা ফাইজার জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের অনুমোদন মিললে জার্মান সংস্থা বায়োএনটেক-এর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে বানানো তাদের করোনা টিকা এ বছরের নভেম্বরেই বাজারে এসে যেতে পারে। তার জন্য জরুরি অনুমোদন পাওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু হতে চলেছে।

দেশে করোনা ভ্যাক্সিন তৈরির প্রস্তুতির পাশাপাশি প্রথম দফায় কাদের টিকা দেওয়া হবে, সেই তালিকা তৈরির কাজও শুরু করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। প্রথম দফার ৩০ কোটি প্রায়োরিটি বেনিফিশিয়ারি তালিকায় থাকবেন যাঁদের কোভিড আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। যেমন, চিকিত্‍সক, স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশ, সশস্ত্র বাহিনী, সাফাই কর্মী, বয়স্ক মানুষ এবং যাঁদের রয়েছে কো-মর্বিডিটি। এঁরা পাবেন প্রথম দফার ৬০ কোটি ভ্যাকসিন ডোজ।

স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে খবর, বিভিন্ন কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য এজেন্সির থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কোভিড ভ্যাক্সিন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের জাতীয় এক্সপার্ট গ্রুপ ভ্যাকসিন দেওয়ার প্রক্রিয়া সংক্রান্ত খসড়া তৈরি করেছে। এই দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন নীতি আয়োগের সদস্য ডা. ভি কে পল এবং স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ। প্রথম দফায় দেশের মোট জনসংখ্যার ২৩ শতাংশকে টিকা দেওয়াই ভারত সরকারের লক্ষ্য।