• chanakyabangla

টিকার ডোজেই মহিলা স্বেচ্ছা–পরীক্ষার্থী অসুস্থ হয়েছিলেন, তা প্রমাণ–সহ বলা যাচ্ছে না।


টিকার ডোজেই মহিলা স্বেচ্ছা–পরীক্ষার্থী অসুস্থ হয়েছিলেন, তা প্রমাণ–সহ বলা যাচ্ছে না।

চানক্য বাংলা ওয়েব ডেস্ক:

অসুস্থার যে লক্ষণ ধরা পড়েছিল, তা অন্য কারণেও হতে পারে। দাবি করল অক্সফোর্ড–অ্যাস্ট্রাজেনেকা। সম্প্রতি অক্সফোর্ড–অ্যাস্ট্রাজেনেকার ট্রায়াল চলাকালীন টিকার ডোজ দেওয়ার পরেই এক মহিলা স্বেচ্ছা–পরীক্ষার্থী ‘‌অজানা’‌ রোগে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তারপরই করোনা টিকার ট্রায়াল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 

অসুখের লক্ষণ খতিয়ে দেখে ওই স্বেচ্ছাসেবককে রিপোর্ট পাঠিয়েছে অক্সফোর্ড। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ‘পর্যালোচনার পর দেখা গেছে, ‌ভ্যাকসিনের ডোজেই যে শরীরে খারাপ হয়েছে, তার কোনও প্রমাণ নেই। আর সেই কারণেই ট্রায়াল চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’‌ 

ট্রায়াল চালু করার পর এই ওষুধের যৌথ গবেষক এবং প্রস্তুতকারক ব্রিটিশ–সুইডিশ সংস্থা অ্যাস্ট্রাজেনেকার সিইও পাস্কাল সরিও বলেছেন, চলতি বছরের শেষেই সম্ভবত বাজারে চলে আসবে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির তৈরি কোভিড ভ্যাকসিন। ঠিক কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ধরা পড়ার পর পরীক্ষা স্থগিত রাখা হয়েছে, সেটাও জানালেন তিনি। মেরুদণ্ডের স্নায়ুগ্রন্থিতে প্রদাহ অনুভব করেছেন এক পরীক্ষার্থী, যা জীবাণু সংক্রমণ থেকে হতে পারে। ডাক্তারদের ভাষায় একে বলে ‘‌ট্রান্সভার্স মায়েলিটিস’‌। ব্রিটেনের ফিনানশিয়াল টাইম্‌স, দ্য গার্ডিয়ান–এর মতো নামজাদা খবরের কাগজগুলি সরিও–র বক্তব্য উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, মানবদেহে কোনও নতুন প্রতিষেধক পরীক্ষার ক্ষেত্রে কখনও এ–‌রকম থামতে হতেই পারে, হয়ও। এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়, হতাশ হওয়ারও কোনও কারণ নেই। উল্লেখ্য, অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির জেনার ইনস্টিটিউট এবং অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন গ্রুপের সঙ্গে অ্যাস্ট্রাজেনেকা তৃতীয় ও চূড়ান্ত পর্বের এই পরীক্ষা চালাচ্ছে, যাতে ৫০ হাজারেরও বেশি স্বেচ্ছা–‌পরীক্ষার্থী নিজেদের শরীরে এই ভ্যাকসিন নিয়েছেন। এই প্রথম তঁাদের কারও মধ্যে অপ্রত্যাশিত সংক্রমণ ধরা পড়ল।