• chanakyabangla

নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর সভায় নেই জোড়া ফুল, তবে কি ছাড়ছেন তৃণমূল?


চানক্য বাংলা ওয়েব ডেস্ক:মঙ্গলবার গোটা দেশের চোখ থাকবে পাটনায়। ব্যতিক্রম হয়তো পশ্চিমবঙ্গ। এক চোখ পাটনায় থাকলে আর চোখ থাকবে নন্দীগ্রামে। কারণ অবশ্যই শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার সেখানে জনসভা করছেন রাজ্যের এই মন্ত্রী। কিন্তু থাকছে না দলনেত্রী মমতা ব্যানার্জির ছবি। থাকছে না জোড়া ফুলের পোস্টার।

এর আগে দল নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু এভাবে প্রকাশ্যে দলনেত্রীর ছত্রছায়া থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেননি। এবার সেটাই করছেন। গুঞ্জন, শিগগিরই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি–তে যোগ দেবেন তিনি। তারই আগাম প্রস্তুতি সারছেন নন্দীগ্রামের সভায়।

এই নন্দীগ্রামকেই ২০০৭–০৮ সালে বামেদের থেকে ছিনিয়ে এনেছিলেন শুভেন্দু। তার জেরে ২০১১ সালে বাংলার ক্ষমতায় আসা অনেক সহজ হয়েছিল তৃণমূলের। সেই শুভেন্দু আজ তৃণমূলে অনেকটাই ব্রাত্য। ঘনিষ্ঠরা বলেন, অভিষেকের উত্থানই এর কারণ। ২০১১ সালে তাঁকে সরিয়ে তৃণূল যুব কংগ্রেস সভাপতি হন অভিষেক ব্যানার্জি। তার পর ধীরে ধীরে দলে কোণঠাসা হয়েছেন শুভেন্দু।

সেই নিয়ে ঠারেঠোরে তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ করতে ছাড়েননি। ৩১ অক্টোবর নন্দীগ্রামের সভায় স্পষ্ট বলেন, ‘‌আকাশ থেকে পড়িনি। এমনি এমনি পদ পায়নি। ধাপে ধাপে উঠেছি।’‌ দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে কি তিনি বিজেপি–র দিকেই পা বাড়াচ্ছেন?‌ কানাঘুষো সে রকমই। পুরুলিয়া, নদীয়া, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব–মেদিনিপুরেও তাঁর পোস্টার পড়েছে। যেখানে কোথাও লেখা নেই, তিনি তৃণমূলের সদস্য।

তবে বিশেষজ্ঞরা এও বলছেন, শুধু নিজের দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভই তা ছাড়ার কারণ নয়। নারদা কাণ্ডে নাম জড়িয়েছে। তাই বিজেপি–তে না গিয়ে উপায় নেই। যেমন ছিল না মুকুল রায়ের। তবে বিজেপি–তে গিয়েও তেমন সুবিধা করতে পারেননি মুকুল। শুভেন্দুরও কি সেই পরিণতিই হবে?‌ নিন্দুকরা বলছেন, তখনই বুঝতে পাবেন, দলনেত্রী ছাড়া তাঁদের ক্ষমতা কতটা ঠুনকো ছিল।