• chanakyabangla

প্রয়াত রাজ্য বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার ডা. সুকুমার হাঁসদার, শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর


প্রয়াত রাজ্য বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার ডা. সুকুমার হাঁসদার, শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর

চানক্য বাংলা ওয়েব ডেস্ক:

দীর্ঘদিন ধরেই ক্যান্সারে ভুগছিলেন। এর ওপর শরীরে করোনা থাবা বসানোয় আর শেষরক্ষা হল না। বৃহস্পতিবার সকালে হাসপাতালেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন রাজ্য বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার ডা. সুকুমার হাঁসদা। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। জঙ্গলমহলের অন্যতম নেতা হিসেবে পরিচিত সুকুমার হাঁসদার মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ রাজনৈতিক মহল। সুকুমার হাঁসদার আত্মার শান্তি কামনা করে ট্যুইটে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পরিজনদের প্রতিও সমবেদনা জানিয়েছেন। এছাড়া বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান এবং সুজন চক্রবর্তীও সুকুমার হাঁসদার মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন।

জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই ক্যান্সারে ভুগছিলেন সুকুমার হাঁসদা। সম্প্রতি প্রোস্টেটের সমস্যা হওয়ায় তাঁকে কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত এক সপ্তাহ ধরে সেখানেই চিকিৎসা চলছিল সুকুমার হাঁসদার। চিকিৎসা চলাকালীন তাঁর কোভিড ধরা পড়ে। তারপর বহু চেষ্টা করেও বাঁচানো গেল না। এদিন বেলা ১১টা ২০ মিনিট নাগাদ অ্যাপোলো হাসপাতালেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন তিনি।

প্রসঙ্গত, পারিবারিক সূত্রে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত সুকুমার হাঁসদা। তবে প্রথমজীবনে তিনি রাজনীতিতে না এসে চিকিৎসাকেই পেশা হিসাবে বেছে নিয়েছিলেন। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের অধীনে দীর্ঘদিন নানান সরকারি হাসপাতালে কর্মরতও ছিলেন। বাম জমানায় চাকরি থেকে অবসরের পরেই তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামী হন এবং তৃণমূলে যোগ দেন। ২০১১ সালে ঝাড়গ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে তিনি তৃণমূলের প্রার্থী হিসাবে জয়ী হন। সেই সময় তাঁকে রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদের মন্ত্রীও করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ২০১৬ সালে তৃণমূলের টিকিটে তিনি ফের জয়ী হন। তখনই তাঁকে রাজ্য বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার করা হয়। সুকুমার হাঁসদার প্রয়াণে জঙ্গলমহলে রাজ্যের শাসক দলের অন্দরে শূন্যতার সৃষ্টি হল।