• chanakyabangla

ভারতের উপগ্রহ একাধিক চিনা, দাবি মার্কিন রিপোর্টের


চানক্য বাংলা ওয়েব ডেস্ক:

ভারতের উপগ্রহ প্রযুক্তিতেও চীনের নজর রয়েছে। ২০০৭ সাল থেকে অনবরত ভারতের উপগ্রহ যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর আঘাত চেষ্টা করেছে বেজিং, বলছে মার্কিন রিপোর্ট। আমেরিকার সংস্থা চায়না এরোস্পেস স্টাজিড ইনস্টিটিউট (সিএএসআই)–এর ১২৪ পাতার রিপোর্ট বলছে, ২০১২ সালে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরির নেটওয়ার্কে হামলা চালিয়েছিল চীন। শত্রুপক্ষের উপগ্রহকে ধ্বংস করার প্রযুক্তি ভারতেরও রয়েছে। যাকে অ্যান্টি–স্যাটেলাইট মিসাইল প্রযুক্তি বলে। কিন্তু চীনের উপগ্রহ প্রতিরোধ প্রযুক্তি আরও উন্নতমানের। শত্রু উপগ্রহকে ধ্বংস করার পাশাপাশি রয়েছে কো–অর্বিটাল স্যাটেলাইট, ক্ষেপণাস্ত্র, জ্যামার এবং সাইবার হামলা চালানোর ক্ষমতা। চীনের কমিউনিস্ট সরকার এই প্রযুক্তিকে আরও উন্নত করার চেষ্টা করছে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করে ওই মার্কিন রিপোর্ট। 

২০১৯ সালে কার্নেজি এনডোওমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিস–এর রিপোর্ট বলছে, ভারতের অ্যান্টি–স্যাটেলাইট প্রযুক্তি ২০০৭ সালেই তৈরি করে ফেলেছে চীন। সঙ্গে ওই প্রযুক্তিতে আরও কিছু ক্ষমতা জুড়ে দেওয়া হয়েছে। যেমন, উপগ্রহে হামলা চালানোর আগে সাইবার হামলা চালিয়ে আগে গ্রাউন্ড স্টেশনকে সম্পূর্ণ বিকল বা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসে তারপর সেখান থেকেই শত্রুপক্ষের উপগ্রহকে হাতের মুঠোয় নিয়ে আসার প্রযুক্তি রয়েছে চীনের কাছে। মাটিতে থাকা বা বাতাসে বা মহাকাশের রেডিও ফ্রিকোয়েন্সিকে নিশানা করে তথ্য চুরি করার মতো জ্যামার প্রযুক্তিও রয়েছে চীনের কাছে। প্রযুক্তি আরও উন্নত মানের করে তুলতে নিয়মিত বিনিয়োগও বাড়িয়েছে চীনা সরকার, জানাচ্ছে মার্কিন রিপোর্ট। 

তবে ইসরোর বিজ্ঞানীদের দাবি, ভারতীয় উপগ্রহ প্রযুক্তি একেবারে স্বাধীন। ইন্টারনেটের মতো পাবলিক ডোমেইন থেকে একেবারে বিচ্ছিন্ন। চীন হয়ত বহুবার হামলা চালানোর চেষ্টা করেছে ভারতের গ্রাউন্ড স্টেশনগুলিতে। কিন্তু তাতে বিশেষ ফল হয়নি। তবে হামলা চালানো হলেও তা টের পায়নি ইসরো, কারণ সমস্ত নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন থাকায় জানা যায় না, কারা হামলা চালিয়েছে এবং কোত্থেকে!‌