• chanakyabangla

"মতান্তর থেকে বিরোধ, বিরোধ থেকে বিচ্ছেদ”, তৃণমূলে কার সঙ্গে বিরোধে দল ছাড়ার কথা ভাবছেন শুভেন্দু


“মতান্তর থেকে বিরোধ, বিরোধ থেকে বিচ্ছেদ”, তৃণমূলে কার সঙ্গে বিরোধে দল ছাড়ার কথা ভাবছেন শুভেন্দু

চানক্য বাংলা ওয়েব ডেস্ক:

“মতান্তর থেকে বিরোধ, বিরোধ থেকে বিচ্ছেদ”, তৃণমূলে কার সঙ্গে বিরোধে দল ছাড়ার কথা ভাবছেন শুভেন্দু? উঠে গেল প্রশ্ন। বৃহস্পতিবার পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরে ছিল; শুভেন্দু অধিকারীর মেগা শো। সেখানে দল ছাড়া নিয়ে কিছু না বললেও; ইশারা ইঙ্গিতে অনেক কিছুই বললেন; নন্দীগ্রামের বিধায়ক। শুভেন্দু এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গও; টেনেছেন তাঁর বক্তৃতায়। তিনি পরিষ্কার বলেন; “মুখ্যমন্ত্রী আমাকে তাড়িয়ে দেননি; আমিও ছেড়ে যাইনি”। সরাসরি মুখে না বললেও, এদিনের সভায় দলের প্রতি; আনুগত্যই দেখিয়েছেন শুভেন্দু। এমনটাই মনে করছেন; তৃণমূলের নেতারাও। তৃণমূলের বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত অধিকারী; শুভেন্দুর এদিনের বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছেন।


রামনগরে শুভেন্দুর মুখে যারা অন্য কিছু শুনবেন বলে ভেবেছিলেন; তাঁরা হতাশ হয়েছেন। এদিন তেমন কিছুই বলেন নি তিনি। সমবায় সপ্তাহ পালন উপলক্ষে; বৃহস্পতিবার পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরের বিশাল জনসভায়; প্রায় ২০,০০০ মানুষ হাজির ছিলেন; বলে দাবি আয়োজকদের। সেখান থেকেই নাম না করে; তৃণমূলকে আ’ক্রমণ করেন শুভেন্দু। তবে, সমবায় সপ্তাহ পালনের মঞ্চ থেকে; নাম না করে তৃণমূলকে বিঁ’ধলেও; নিজের রাজনৈতিক অবস্থান খোলসা করলেন না শুভেন্দু অধিকারী। উলটে এদিন তাঁকে নিয়ে জল্পনা বাড়ানোর জন্য; সংবাদমাধ্যমের সমালোচনা করেন তিনি।


এদিনের সমাবেশে তিনি তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান; খোলসা করতে পারেন বলে যে জল্পনা ছড়িয়েছিল; তাকে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন; “আমি একটা দলের প্রাথমিক সদস্য। আমি একটা মন্ত্রিসভার সদস্য। মুখ্যমন্ত্রী আমাকে মন্ত্রী রেখেছেন। উনিও তাড়াননি, আমিও ছাড়িনি। রাজনৈতিক কথাবার্তা দলের ভিতরে থেকে; মন্ত্রিসভায় থেকে বলা যায় না। আমরা বিদ্যাসাগরের দেশের মানুষ। আমরা এত অনৈতিক কাজ করি না”।


শুভেন্দু এদিন বলেন; “বহুদলীয় গণতন্ত্রে রাজনৈতিক মতান্তর হয়, বিভেদ হয়; বিভেদ থেকে বিচ্ছেদও হয়। যতক্ষণ দলে আছেন বা মন্ত্রিসভায় আছেন; যতক্ষণ দলের নিয়ন্ত্রকরা তাড়াননি বা আমি ছাড়িনি; ততক্ষণ এসব মঞ্চে ওসব কথা বলা যায় না। একেবারে নীতি আদর্শ বিসর্জন দিয়ে; কাজ করার লোক আমরা নই”। এই কথা বলে জল্পনা আরও বাড়ালেন; শুভেন্দু অধিকারী।