• চাণক্য বাংলা

রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী খুচরো বাজারে আলুর দাম নিতে হবে প্রতি কেজি ২৫ টাকা করে।

চাণক্য বাংলা ওয়েব ডেস্ক :




খুচরো বাজারে আলুর দাম নিতে হবে প্রতি কেজি ২৫ টাকা করে। শুক্রবার রাজ্য সরকার এমনই নির্দেশ দিয়েছে আলু ব্যবসায়ীদের। বাজারে এখন জ্যোতি আলুর এক কেজির দাম ৩২ টাকা। এদিন প্রশাসনের কর্তারা জানিয়ে দিয়েছেন, আলুর দাম কমাতে হবে সাতদিনের মধ্যে। পাইকারি বাজারে আলুর দাম হতে হবে ২২ টাকা।

এদিন নবান্নে আলু ব্যবসায়ীদের এবং হিমঘর মালিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন কৃষি বিপণন মন্ত্রী তপন দাশগুপ্ত ও মুখ্যমন্ত্রীর কৃষি উপদেষ্টা প্রদীপ মজুমদার। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন কৃষি ও কৃষি বিপণন দফতরের সচিব সুনীল গুপ্ত, এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ ও রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তারা। তাঁরা জানিয়ে দেন, আজ শনিবার থেকেই দাম কমানোর প্রস্তুতি নিতে হবে। ধাপে ধাপে সাতদিনের মধ্যে খুচরো বাজারে আলুর প্রতি কেজির দাম কমিয়ে আনতে হবে ২৫ টাকায়।


পাইকারি বাজারে যদি ২২ টাকায় আলু বিক্রি করতে হয়, তাহলে খুচরো বাজারে প্রতি কেজি আলু আনতে খরচ হবে এক টাকা। ব্যবসায়ীদের আর্জি, রাজ্য যদি পরিবহণের খরচ বহনে সাহায্য করে, তাহলে তাঁদের সুবিধা হয়। তখন প্রশাসনের কর্তারা বলেন, হিমঘরে কৃষকরা আলু রেখেছেন। লকডাউনের জন্য পণ্য পরিবহণে কোনও সমস্যা হয়নি। এই অবস্থায় আলুর দাম নিয়ন্ত্রণেই থাকার কথা ছিল। কেন আলুর দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা গেল না, তার কোনও সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি ব্যবসায়ীরা। তবে তাঁরা জানিয়েছেন, সাতদিনের মধ্যে দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে।

নবান্নের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, পাইকারি বাজারের ওপরে নজর রাখবে এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ। পাইকারি বাজার থেকে কৃষি বিপণন দফতরকে রোজ জানাতে হবে, খুচরো ব্যবসায়ীদের কী দরে আলু বিক্রি করা হচ্ছে।


এর আগে বারদু'য়েক আলুর দাম নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যে দাম ফের বেড়ে যায়। এবার যাতে তা না হয়, সেজন্য কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এখনই কৃষি বিপণন দফতরের পরিচালনাধীন সুফল বাজারে আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা কেজি দরে।