• chanakyabangla

সহায়ক মূল্য বাড়িয়ে বিপুল ধান কেনার পথে রাজ্য সরকার। সুখবর কৃষকদের জন্য।


সহায়ক মূল্য বাড়িয়ে বিপুল ধান কেনার পথে রাজ্য সরকার। সুখবর কৃষকদের জন্য।

চানক্য বাংলা ওয়েব ডেস্ক:

সহায়ক মূল্য বাড়িয়ে বিপুল ধান কেনার পথে রাজ্য সরকার। সুখবর কৃষকদের জন্য। পুজোর কয়েকদিন আগেই Farm Law 2020 বা কৃষি আইনের প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছিল পুরোদেশ। বিক্ষোভে উত্তাল হয়েছিল সমগ্র ভারতবর্ষ। বিজেপি বিরোধী সমস্ত শক্তি বিরোধীতা করেছিল এই কৃষি আইনের। প্রতিবাদে সংসদের বাইরে সারারাত অবস্থান বিক্ষোভ করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন, দোলা সেন রা। পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাতে কালো কাপড় নিয়ে প্রতিবাদ মিছিল করেন কলকাতার রাজপথে। কেন্দ্রের কৃষি আইনের তীব্র সমালোচনা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। আর এবার নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি।


রাজ্যের কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়ে উৎসবের আবহে নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার থেকে চাষিদের কুইন্টাল প্রতি ৫০ টাকা বর্ধিত সহায়ক মূল্য দেবে রাজ্য সরকার। খাদ্য দপ্তর সূত্রে খবর, আগামী নভেম্বর মাস থেকে যে খরিফ মরশুমের ধান সংগ্রহ করবে রাজ্য সরকার তাতেই চাষীদের এই বর্ধিত সহায়ক মূল্য দেওয়া হবে। শুধু তাই নয়, চাষী যদি সরকার নির্ধারিত সেন্টারে এই ধান বিক্রি করেন তাহলে কুইন্টাল প্রতি বাড়তি আরও ২০ টাকা দেওয়া হবে।


সহায়ক মূল্য বাড়িয়ে বিপুল ধান কেনার পথে রাজ্য সরকার। সুখবর কৃষকদের জন্য। গত মরশুমে ধানের সহায়ক মূল্য ছিল কুইন্টাল প্রতি ১ হাজার ৮১৮ টাকা। সেই মূল্যই এই মরশুমে বেড়ে হচ্ছে ১ হাজার ৮৬৮ টাকা। আগের মরশুম অর্থাৎ গত অক্টোবর মাস থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত রাজ্য সরকার ধান সংগ্রহ করেছিল ৪৮.০৫ লক্ষ মেট্রিক টন। এর মধ্যে বোরো ধানের পরিমাণ ১৮ লক্ষ মেট্রিক টন। খাদ্য দফতর সূত্রে খবর, প্রতি বছর যেখানে ৫ লক্ষ মেট্রিক টন বোরো ধানের প্রয়োজন পড়ে, সেখানে চলতি বছরে ১৩ লক্ষ মেট্রিক টন বাড়তি বোরো ধান কেনা হয়েছে।

কিন্তু কেন? জানা গিয়েছে করোনা আবহে বিনামূল্যে রেশন দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই কারনেই বাড়তি ধান সংগ্রহ করতে হয়েছে। উল্লেখ্য, আগামী বছর জুন মাস পর্যন্ত বিনামূল্যে রেশন বিলির কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই চাষীদের ৫০ টাকা কুইন্টাল পিছু বাড়তি সহায়ক মূল্য দিয়ে, আগামী মরশুমের জন্য মোট ৫২ লক্ষ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। চাষিদের জন্য নির্ধারিত সহায়ক মূল্য সরাসরি তাঁদের অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।